টপিক ১: পরমাণুর গঠন ও মৌলিক কণিকা

১.১. পরমাণুর মৌলিক ধারণা

১.২. মূল কণিকার প্রকারভেদ

মূল কণিকা প্রধানত তিনটি ভাগে বিভক্ত:

  1. স্থায়ী মূল কণিকা (৩টি): এরা সকল মৌলের পরমাণুতে থাকে— ইলেকট্রন, প্রোটন, নিউট্রন।
    • প্রোটন হলো একটি মৌলের পরিচিতি নির্ধারক।
  2. অস্থায়ী মূল কণিকা (১০০টি): এরা সকল পরমাণুতে থাকে না, অতিথির মতো।
    • গুরুত্বপূর্ণ অস্থায়ী কণিকাগুলোর মধ্যে রয়েছে: নিউট্রিনো, অ্যান্টি-নিউট্রিনো, পজিট্রন, মেসন (খুব গুরুত্বপূর্ণ), গ্রাভিটন, বোসন, মিউন, পাইন।
    • মেসনের চার্জ : প্লাস, মাইনাস বা জিরো হতে পারে।
  3. কম্পোজিট কণিকা (২টি): ভারী কণিকা।
    • আলফা কণা : দ্বি ধনাত্মক চার্জ বিশিষ্ট হিলিয়াম নিউক্লিয়াস (He(2+))।
    • ডিউটেরন।

১.৩. কোয়ার্ক (Quark) ধারণা

চার্জের মান:

প্রোটন ও নিউট্রনের চার্জের ব্যাখ্যা:

টপিক ২: ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনের বৈশিষ্ট্য

বৈশিষ্ট্য ইলেকট্রন (e) প্রোটন (p) নিউট্রন (n)
আবিষ্কারক থমসন (ক্যাথোড রশ্মি পরীক্ষায়) রাদারফোর্ড (নিউক্লিয়াস আবিষ্কারের সম্মান হিসেবে) চ্যাডউইক
প্রতীক e p n
আপেক্ষিক ভর 1/1837 (হাইড্রোজেনের ভরের) ≈ 1 ≈ 1 (প্রোটনের চেয়ে সামান্য বেশি)
প্রকৃত ভর (কেজি/গ্রাম) 9.1 x 10^-28 g 1.672 x 10^-24 g 1.674 x 10^-24 g
আপেক্ষিক চার্জ -1 +1 0
প্রকৃত চার্জ (কুলম্ব) -1.6 x 10^-19 C +1.6 x 10^-19 C 0

অতিরিক্ত তথ্য:

টপিক ৩: পরমাণু মডেল

৩.১. পরমাণু মডেলের ক্রমবিকাশ

মডেল সাল ও ভিত্তি মূল ধারণা সীমাবদ্ধতা/ব্যতিক্রম
থমসন ১৮৯৮। (প্লাম পুডিং/কিসমিস মডেল) আকস্মিকভাবে ইলেকট্রন আবিষ্কার। কম গ্রহণযোগ্যতা।
রাদারফোর্ড ১৯১১। ভিত্তি: ম্যাক্সওয়েলের সাধারণ বলবিদ্যা। (সোলার সিস্টেম/নিউক্লিয়ার মডেল) আলফা কণা বিক্ষেপণ পরীক্ষা দ্বারা নিউক্লিয়াস আবিষ্কার। অধিকাংশ স্থান ফাঁকা। ম্যাক্সওয়েলের তত্ত্ব মানে না (স্থায়িত্ব দিতে পারেনি)। বর্ণালীর ব্যাখ্যা দিতে পারেনি। শুধু ১টি ইলেকট্রনের জন্য প্রযোজ্য।
বোর ১৯১৩। ভিত্তি: ম্যাক্স প্লাঙ্কের কোয়ান্টাম তত্ত্ব। (স্থায়ী মডেল) স্থির কক্ষপথের ধারণা (শক্তি শোষণ/বিকিরণ করে না)। কৌণিক ভরবেগ (mvr = n * h / (2 * pi))। বর্ণালীর ব্যাখ্যা। শুধুমাত্র হাইড্রোজেনের বর্ণালী ব্যাখ্যা করতে পারে। কক্ষপথ 2D বলা। হাইজেনবার্গের নীতি মানে না। জিমেন/স্টার্ক প্রভাব ব্যাখ্যা করতে পারে না।

৩.২. বোরের পরমাণু মডেলের বিশেষ ধারণা

বোর মডেলের গাণিতিক সম্পর্ক:

টপিক ৪: আধুনিক পরমাণু মডেল ও কোয়ান্টাম বলবিদ্যা

৪.১. ডি-ব্রগলি সমীকরণ (De Broglie Equation)

৪.২. হাইজেনবার্গের অনিশ্চয়তা নীতি (Heisenberg's Uncertainty Principle)

৪.৩. সোডিঞ্জারের তরঙ্গ সমীকরণ (Schrödinger's Wave Equation)

টপিক ৫: পারমাণবিক বর্ণালী

৫.১. ম্যাক্সওয়েলের তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালী

শক্তির শোষণ ও বিকিরণের কারণে বর্ণালী তৈরি হয়।

গুরুত্বপূর্ণ সূত্র:

৫.২. দৃশ্যমান আলোর বর্ণালী (বেনীআসহকলা)

সাধারণ তথ্য: তরঙ্গদৈর্ঘ্য (λ) কম হলে বিচ্যুতি (deviation) বেশি হয়।

৫.৩. হাইড্রোজেন বর্ণালী সিরিজ (রেখা বর্ণালী)

সিরিজ মান (N1) অঞ্চল N2 (উৎস)
লাইমেন (Lyman)অতিবেগুনি (UV)2, 3, 4...
বামার (Balmer)দৃশ্যমান3, 4, 5...
প্যাশন (Paschen)অবলোহিত (IR)4, 5, 6...
ব্রাকেট (Brackett)অবলোহিত (IR)5, 6, 7...
ফুন্ড (Pfund)অবলোহিত (IR)6, 7, 8...
হামপ্রিস (Humphreys)অবলোহিত (IR)7, 8, 9...

৫.৪. রিডবার্গ সূত্র ও গাণিতিক ট্রিকস

N2 নির্ধারণের ট্রিকস (ভার্সিটির জন্য):

পরিস্থিতিN1N2
সাধারণ স্থানান্তর কোশ্চেনে যেখানে আসে (গন্তব্য) কোশ্চেনে যেখান থেকে আসে (উৎস)
লাইন সংখ্যা (যেমন: বামার সিরিজের তৃতীয় লাইন) বামার সিরিজ থেকে (N1=2) N1 + লাইন সংখ্যা (যেমন: 2+3=5)
সর্বনিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্য (lambda-min) বা সর্বোচ্চ শক্তি (E-max) সিরিজের মান অসীম
সর্বোচ্চ তরঙ্গদৈর্ঘ্য (lambda-max) বা সর্বনিম্ন শক্তি (E-min) সিরিজের মান N1 + 1 (যেমন: 2+1=3)

টপিক ৬: গুণগত বিশ্লেষণ ও বর্ণালীমিতি

৬.১. বর্ণালীর প্রকারভেদ (বিশ্লেষণ)

  1. পারমাণবিক বর্ণালী: উদাহরণ: H2 (দ্বি-পরমাণুক), NaCl (শোষণ)
  2. আণবিক বর্ণালী: বিকিরণ বর্ণালী (আবর্তন, কম্পন, ইলেকট্রন)
  3. নিরবিচ্ছিন্ন বর্ণালী: শুদ্ধ বর্ণালী

৬.২. আণবিক বর্ণালী ও বিশ্লেষণ (NMR/MRI)

NMR এর মূলনীতি:

মানবদেহে প্রয়োগ (MRI):

৬.৩. শোষণ বর্ণালী (UV)

ঘনত্বের সাথে রঙের পরিবর্তন (ফসফোর):

৬.৪. শিখা পরীক্ষা (Flame Test)

ক্ষারীয় মূলক (Cation) শনাক্তকরণের পরীক্ষা।

৬.৫. লবণের মূলক শনাক্তকরণ (শুদ্ধ পরীক্ষা)

ক্ষারীয় মূলক (Cation) শনাক্তকরণের জন্য ব্যবহৃত অন্যান্য পরীক্ষা:

টপিক ৭: দ্রাব্যতা

৭.১. দ্রাব্যতা এবং দ্রাব্যতা গুণফল (Ksp)

৭.২. দ্রাব্যতা গুণফল (Ksp)

৭.৩. আয়নিক গুণফল (ip)